জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় মো. হোসেন নামের এক মালবাহী ট্রাকের চালককে হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য আদালতে আনা হয় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলকসহ আটজনকে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জন এ মামলার আসামি। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ–৪–এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে এনে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় পলককে। পরে ১১টা ১০ মিনিটে হাজতখানা থেকে তাঁকে এজলাসে নেওয়া হয়। শুনানি শেষে ১২টা ৩ মিনিটে আবার তাঁকে হাজতে রাখা হয়।পলক অভিযোগ করেন, সকালে শুনানিতে লিফট চালু থাকা সত্ত্বেও আদালতের সিঁড়ি দিয়ে ছয়তলায় এজলাসে তোলা হয়। তিনি বলেন, ‘মাননীয় আদালত, এটা কী ধরনের সিস্টেম? লিফট চালু দেখলাম, তারপরও হাতকড়া পেছনে দিয়ে আমাকে ছয়তলায় সিঁড়ি দিয়ে ওঠানো হয়েছে।
আদালতের কাছে আমার অনুরোধ, মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে হাতকড়া সামনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।’এ সময় পলক সরকারি কৌঁসুলিকে (পিপি) উদ্দেশ্য করে বিচারককে বলেন, ‘মাননীয় আদালত, পিপি সাহেবের মনে রাখা উচিত, তাঁর ওই স্থান থেকে আমার এই স্থানের দূরত্ব বেশি নয়।’বিচারক পলককে বলেন, ‘এটা তো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই।’ এ সময় পলক বলেন, ‘হাতকড়া সামনের দিকে রাখলেই হয়।’সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি আনিসুর রহমান বলেন, পলক মূলত হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো