‘নমস্কার দোস্ত!’—শব্দ দুটি যেন তিনি দলিল করে নিয়েছেন। দুই হাতের তালু জোড় করে শব্দ দুটি তিনি যে ভঙ্গিতে উচ্চারণ করে আলাপ শুরু করেন, তাতে যেন তাঁর একেবারে নিজের জিনিস মনে হয়।তাঁকে নিয়ে ভারতের মূলধারার সংবাদমাধ্যমে কখনোই তেমন হইচই হয়নি।
অথচ তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই পুরো ভারতে, এমনকি বাংলাদেশের রাজনীতি সচেতন শিক্ষিত তরুণ সমাজে এক পরিচিত মুখ।ভারতে এখন সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ নিয়ে যে আন্দোলন হচ্ছে, তার অন্যতম প্রেরণাদাতা হিসেবে তাঁকে ভাবা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বড় ধরনের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি।অথচ তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা নন, সংসদ সদস্য নন, এমনকি প্রচলিত অর্থে কোনো সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকও নন।
তাঁর প্রধান শক্তি একটি ক্যামেরা, তথ্য ও যুক্তি সাজানোর দক্ষতা এবং বিপুলসংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছানোর আশ্চর্য ক্ষমতা।ভারতের, এমনকি বাংলাদেশেরও তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই নায়কের নাম ধ্রুব রাঠি।
সূত্র: প্রথম আলো