ঘরের ভেতরে পরিচ্ছন্ন ও বাধ্যগত সন্তান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্যদের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলা ভিন্ন এক সত্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক কিংবা প্রশংসার আশায় সাজানো এক ভার্চ্যুয়াল কৃত্রিম রূপ, আর ধর্মীয় বা সামাজিক অঙ্গনে একটু ভদ্র ও সংশীল হয়ে হাজির হওয়া—এই হলো বর্তমান তরুণ প্রজন্মের নিত্যদিনের বাস্তবতা।বিভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য একেকটি মুখোশ পরতে পরতে একসময় তরুণদের মনে দানা বাঁধে এক গভীর প্রশ্ন, ‘যখন কেউ আমাকে দেখছে না, তখন আসল আমিটা কে?’এটি শুধু বয়ঃসন্ধিকালের মামুলি কোনো আবেগীয় অস্থিরতা নয়, বরং আধুনিক সমাজে বেড়ে ওঠা তরুণদের এক গভীর অস্তিত্বসংকট।একের পর এক রূপ বদলানোর এই ক্লান্তিকর প্রক্রিয়ায় নিজের ভেতরের মূল সত্তাটি একসময় হারিয়ে যেতে বসে।
যখন জীবনের প্রতিটি অঙ্গন শুধু একটি অভিনয়ে পরিণত হয়, তখন মনের ভেতরে জন্ম নেয় এক চরম ক্লান্তি।মাত্র তিনটি আয়াত এবং সামান্য কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এই সুরাটিতে রয়েছে মানুষের পরিচয় গঠন ও জীবনের চরম সফলতা অর্জনের এক পরিপূর্ণ পথনকশা।সুরা আসরের পথনকশা কোরআনের অন্যতম ছোট অথচ ভাবগাম্ভীর্যে ভরপুর সুরা হলো সুরা আসর।
মাত্র তিনটি আয়াত এবং সামান্য কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এই সুরাটিতে রয়েছে মানুষের পরিচয় গঠন ও জীবনের চরম সফলতা অর্জনের এক পরিপূর্ণ পথনকশা।ইমাম শাফেয়ি (রহ.) এই সুরার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, যদি মহান আল্লাহ তাঁর সৃ...
সূত্র: প্রথম আলো