২০২৬ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পাওয়া তিন বিজ্ঞানীর একজন পিটার হেগেম্যান। তাঁর গবেষণার গল্পটা বেশ অদ্ভুত ও মজার। তিনি কাজ করতেন ক্ল্যামাইডোমোনাস নামের একধরনের সবুজ শ্যাওলা বা শৈবাল নিয়ে। এই শ্যাওলারা কীভাবে আলোর দিকে ছুটে যায়, সেই নিখাদ কৌতূহল থেকেই তিনি এর পেছনের রহস্য খুঁজতে শুরু করেন।
আর সেই শ্যাওলার জিনের সূত্র ধরেই জন্ম নেয় অপটোজেনেটিকসের মতো যুগান্তকারী এক প্রযুক্তি, যা দিয়ে আলো ফেলে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চলুন, নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটের প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথের সঙ্গে তাঁর ফোনালাপটি পড়া যাক। সাক্ষাৎকারটি বাংলায় রূপান্তর করেছেন কাজী আকাশ।অ্যাডাম স্মিথ: হ্যালো। আমি কি পিটার হেগেম্যানের সঙ্গে কথা বলছি?পিটার হেগেম্যান: হ্যাঁ, বলছি।অ্যাডাম স্মিথ: চমৎকার। আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে অ্যাডাম স্মিথ বলছি।
সূত্র: প্রথম আলো