অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশেও হঠাৎ ডিপথেরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। করোনাভাইরাসের পর বিশ্বব্যাপী টিকাদানের হার কিছুটা কমে যাওয়া, টিকার কার্যকারিতা দীর্ঘ মেয়াদে হ্রাস পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের আধিক্যই এই প্রত্যাবর্তনের মূল কারণ। এ ছাড়া ব্যাকটেরিয়ার নতুন কিছু স্ট্রেইনের বিস্তারও এর পেছনে দায়ী হতে পারে।বাংলাদেশের জন্য ডিপথেরিয়া কোনো নতুন রোগ নয়।
২০১৭–১৮ সালের দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই রোগের একটি বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল, যা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে সাধারণ জনগণের মধ্যে অনেকেরই, বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্কদের বুস্টার ডোজ না নেওয়ার কারণে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে এসেছে।
ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় আমাদের এখানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সব সময়ই বেশি থাকে।টিকা কি আসলে হৃদ্রোগীদের সুরক্ষা দিতে পারে?ডিপথেরিয়া কতটা মারাত্মক?কোরিনেব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়াজনিত অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী একটি রোগ ডিপথেরিয়া।
সূত্র: প্রথম আলো