বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প ‘সুভা’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভা। ৬ অক্টোবর দুপুরে কলেজের এমসিডিএস ক্লাবে এই আসর বসে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সব সময় তাঁর গল্পে, উপন্যাসে কিংবা নাটকে মানুষের নিজস্ব রূপ, গুণ, যোগ্যতা, চরিত্র এবং কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন।
এ পৃথিবীতে কত মানুষ প্রতিদিন জন্মায়, প্রত্যেক মানুষ আলাদা গুণের অধিকারী; তারপরও আমরা অন্য মানুষের মধ্যে থাকা ত্রুটিকে আলোচনার বৃহত্তর বিষয় করে তাঁকে কোণঠাসা করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই। মাঝেমধ্যে এতে সফলও হয়।‘সুভা’ রবীন্দ্রনাথের এমনই এক লেখা, যেখানে আমরা দেখতে পাই একজন বাক্প্রতিবন্ধী মেয়ে কীভাবে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠে শৈশব থেকে কৈশোর অতঃপর যৌবনে পদার্পণ করে।
কিন্তু যে মানুষগুলো হওয়ার কথা ছিল তার বড্ড কাছের, যাদের সহানুভূতির প্রয়োজন ছিল তার দিবানিশি; তাদের কাছ থেকেই তীব্র গঞ্জনা, ভর্ৎসনা এবং নিহাতি কলঙ্ক বলে আখ্য পেতে হয়েছিল।পাঠচক্রে বন্ধুরা বলেন, ‘সুভার মতো কত মেয়ে আমাদের সমাজে বেড়ে উঠছে, কেউ পাচ্ছে যথার্থ পৃষ্ঠপোষকতা, ভালোবাসা আর কেউবা কেবল পাচ্ছে যন্ত্রণা, ধিক্কার এবং নিজেকে বারবার সমাজের কিংবা পরিবারের বোঝা মনে করে।
সূত্র: প্রথম আলো