প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে আপনাদের লেখা। আপনিও পাঠান। গল্প-কবিতা নয়, বাস্তব অভিজ্ঞতা। আপনার নিজের জীবনের বা চোখে দেখা সত্যিকারের গল্প; আনন্দ বা সফলতায় ভরা কিংবা মানবিক, ইতিবাচক বা অভাবনীয় সব ঘটনা। শব্দসংখ্যা সর্বোচ্চ ৬০০। দেশে থাকুন কি বিদেশে; নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বরসহ পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়: readers@prothomalo.com১৯৯৫ সালের এপ্রিল মাসের এক সকালবেলা। তখন পড়ি ক্লাস নাইনে। পুকুর থেকে গোসল করে এলাম।
স্কুলে যাব।মা-বাবা কী বিষয়ে যেন তর্ক করলেন। ঘরের পরিস্থিতি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলো। খুব মন খারাপ হলো। টেবিলের ওপর বইয়ের পাশে ছোট একটা কৌটায় মায়ের নাকফুল, আরও কী কী যেন ছিল।হঠাৎ মনে হলো, আমি আর এই বাড়িতে থাকব না। পালাব।কৌটার ভেতরে থাকা স্বর্ণ নিলাম। পরনে ছিল একটা পুরোনো প্রিন্টের লুঙ্গি। গায়ে পোলো শার্ট। বসুরহাট এসে স্বর্ণগুলো ৩২৫ টাকায় বিক্রি করে দিলাম।
প্রথমে বসুরহাট বিউটি সিনেমা হল রোডের তৃপ্তি হোটেলে গরুর মাংস আর তন্দুর রুটি খেলাম তৃপ্তিভরে।অতঃপর টিকিট কেটে চট্টগ্রামগামী বাসে উঠলাম।
সূত্র: প্রথম আলো