আমি এখন তিলোত্তমা নগরী ঢাকার জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে, উদ্দেশ্য পাখি ও জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ। ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে, এ পর্যন্ত ৬২টি জেলায় পাখি দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। পাখিদের সন্ধানে, পর্যবেক্ষণে ও গবেষণায় ছুটে বেড়িয়েছি তেঁতুলিয়া থেকে সেন্ট মার্টিন, জাফলং থেকে সুন্দরবনের গহিনে, বাংলার প্রত্যন্ত এলাকার পথে প্রান্তরে, জলে-জঙ্গলে, সবুজ বনে, কখনো সাগর মোহনার নীল জলে, কোনো এক নাম না জানা চরে।
গত এক দশকে বাংলাদেশে পাখিদের জীববৈচিত্র্যে দেখেছি এক লক্ষণীয় পরিবর্তন। তবে পরিবর্তনটা কখনোই আশাজাগানিয়া নয়। বিশেষ করে তা আশাহত হওয়ার মতোই। কমছে পাখিরা, বিশেষ করে আবাসস্থল বিশেষায়িত পাখিরা।আবাসস্থল বিশেষায়িত পাখি হলো সেই সব পাখি, যারা খাদ্য, প্রজনন, আশ্রয় ও বেঁচে থাকার জন্য নির্দিষ্ট ধরনের আবাসস্থলের ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল।
এদের অনেক প্রজাতি নির্দিষ্ট পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য বা বিশেষ ধরনের উদ্ভিদসমৃদ্ধ আবাসস্থলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অভিযোজিত।
সূত্র: প্রথম আলো