গতকাল ১০ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দিয়েছিল বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট। আকাশে ওড়ার পরই ধরা পড়ে, বিমানের পেছনের একটি চাকায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। শুরু হয় উৎকণ্ঠা। নিরাপদে অবতরণের জন্য ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বড় ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয় সংশ্লিষ্ট সবাইকে। সেই ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন কথাসাহিত্যিক ইসমত আরা প্রিয়া।
সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী ও ছোট্ট মেয়ে। একসময় যাত্রীদের জানানো হয়, জরুরি বহির্গমন পথ দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। যে যাত্রায় কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে কথা ছিল মাত্র আধঘণ্টা, সেই যাত্রাই যেন শেষ হতে চাইছিল না। দেখতে দেখতে কেটে গেল দুই ঘণ্টা। প্রতিটি মুহূর্তে উৎকণ্ঠা, অনিশ্চয়তা আর ভয়। শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। কী ঘটেছিল সেই বিমানে? আকাশের মধ্যে কেমন ছিল সেই সময়টা?
কথাসাহিত্যিক ইসমত আরা প্রিয়ার লেখায় সেই শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতার গল্প।আমাদের ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে প্রথমবার সমুদ্রভ্রমণে গিয়েছিলাম।
সূত্র: প্রথম আলো