নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং ভারতীয় জনতা পার্টি যেভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সুরক্ষা দিয়েছে এবং তাকে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের কাছে পৌঁছানোর অযোগ্য করে তুলেছে, তা দেশকে এক অসাধারণ সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন ধারণা ও সৃজনশীলতার প্রয়োজন। এই অসাংবিধানিক সুরক্ষা জ্ঞানেশ কুমারকে আরও দুর্বল করলেও বিরোধী দলগুলোর জন্য কাজটিকে বেশি চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।
সম্প্রতি দেশজুড়ে যে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে, তাকে এই পটভূমিতেই দেখতে হবে।ঢাকার সঙ্গে দিল্লির ছবির এত মিল কেনপ্রশ্ন হলো, কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোদি সরকারের বিরোধীদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করছেন? এই প্রথম নির্বাচন কমিশন বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে প্রটোকল বা শিষ্টাচারের অজুহাত দিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমার তাদের নির্দিষ্ট প্রতিনিধি পাঠাতে বলেছেন এবং সাক্ষাতের জন্য একাধিক শর্ত দিয়েছেন।
বিরোধী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর এই অনীহা কমিশনকে মোদি-শাহ নেতৃত্বের অধীনে থাকা কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার অংশ বলে প্রমাণ করে।যখন রাজনৈতিক দলের প্রধান এবং বিরোধী দলনেতাসহ প্রায় তিন শ সংসদ সদস্য রাস্তায় ছিলেন, তখন কমিশন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা জানাতে দ্বিধা করেনি।
সূত্র: প্রথম আলো