আজ থেকে ১২ বছর আগের কথা। যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তাম। প্রতিদিন মন্দিরের সামন দিয়ে হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতাম। এটা ছিল নিয়মিত দিনের অভ্যাস। যখন আশ্বিন মাস আসে, চারপাশ শরৎকালের আবহাওয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাতের বেলায় হালকা শীত অনুভব হয়, আবার দিনের বেলায় গরম। এই সময়ের অনুভূতিটা ছিল অন্য রকম। এই প্রকৃতি, এই আবহাওয়া বলে দেয় মায়ের আগমনী বার্তা। মন্দিরে তখন প্রতিমা গড়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে।
প্রতিমাশিল্পীরা কাজ শুরু করে দিয়েছেন। যখনই স্কুলে যেতাম, তখন একটু দাঁড়িয়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম মালাকারের সেই নিখুঁত হাতে প্রতিমা গড়ার কাজের দিকে। এতে বিদ্যালয়ে যেতে যত দেরিই হোক, তবু যেন সেই কাজটা না দেখে যেতে মন চাইত না। আবার যখন টিফিনে বাসায় খেতে আসতাম, তখনো প্রতিমা তৈরির কাজ দেখার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে যেতাম। আমাদের মন্দিরে সাধারণত কাপড় দিয়ে ঢেকে মালাকার মন্দিরের ভেতরে প্রতিমা তৈরি করত।
খুব ভালোভাবে প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে পেতাম না।
সূত্র: প্রথম আলো