তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশকে কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন জোট পিএমএল-এন ও পিপিপি। সংবিধানের জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির বিধান প্রয়োগ করে মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন এবং আগামী মঙ্গলবার পার্লামেন্টের দুই কক্ষের অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পৃথকভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী জেইউআই-এফ প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। ফজলুর রহমান পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর আলী খান ও আসাদ কায়সারের সঙ্গেও বৈঠক করে সরকারের সম্ভাব্য পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। এদিকে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি মন্তব্য করেছেন যে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করা এড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই।
কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে গত ৪ অক্টোবর থেকে পিটিআইয়ের লংমার্চ শুরু হয়, যা এখনো প্রদেশটিতেই রয়েছে। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে পিটিআইয়ের অসহযোগিতা ও উসকানিমূলক আচরণের কারণে সরকার জরুরি অবস্থাসহ বিকল্প বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কথা ভাবছে।
সূত্র: প্রথম আলো