বিশ্বকাপ জয়ের পর লিওনেল মেসির জীবনটা একদম বদলে গেছে, এমনটাই ভেবেছিলেন বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। কিন্তু বাংলাদেশে ঘুরতে এসে বন্ধু রবিনের নিজস্ব মহল্লা আর তার গিন্নি চাঁদনীর রান্নাঘরের কাছে ফিফা কিংবা ব্যালন ডি’অর—কোনোটারই যে বিশেষ পাত্তা নেই, তা মেসি হাড়ে হাড়ে টের পেলেন সেদিন বিকেলে।বিশ্বকাপের ট্রফিটা দেখাতে এনেছিল বন্ধুদের। সেটি ড্রয়িংরুমের আলমারিতে তুলে রাখার পর চাঁদনী মেসিকে ডাক দিলেন, ‘লিও!
একটু এদিকে এসো তো।’মেসি মাঠের মতো তিনজনকে একসঙ্গে ড্রিবল করার ভঙ্গিতে হালকা চালে হেঁটে রান্নাঘরে গেলেন।‘বলো, ভাবি।’‘আলমারির ওপরের ট্রফিটায় নিচে ধুলা জমছে। আর হ্যাঁ, ফ্রিজে ডিম শেষ, টমেটোও নেই। স্পোর্টস ব্যাগটা কাঁধে নাও, জলদি সুপারশপ থেকে নিয়ে এসো। তোমার বন্ধুকে অন্য কাজ দিছি। ছুটির দিনে কই একটু রেস্ট করব, তোমারে দিল ডাক। এখন দুই বন্ধু মিলে আমাকে কাজে সাহায্য করো।’মেসি একটু ভাবনায় ডুবে গেলেন।
ভাবলেন, ‘আমি লিওনেল মেসি!
সূত্র: প্রথম আলো