চাকরি, চাকরি, চাকরি—একটা চাকরি জীবন বদলে দিতে পারে।এই ভাবনা আজকের নয়, বহু পুরোনো। চাকরির জন্য তরুণদের পথে পথে ঘোরার কষ্টও নতুন কিছু নয়। বিশের দশকে ইংরেজিতে এমএ পাস করা মেধাবী তরুণ জীবনানন্দ দাশকেও মনের মতো একটা চাকরির জন্য ঘুরতে হয়েছে দিনের পর দিন। কলকাতা থেকে বাগেরহাট, দিল্লি থেকে বরিশাল, বরিশাল থেকে দিল্লি কোথায় যাননি কবি! চাকরি বদলে নতুন চাকরিতে যুক্ত হয়েছেন কয়েকবার।
সেই খেদ থেকেই হয়তো লিখেছিলেন, ‘মানুষেরই হাতে তবু মানুষ হতেছে নাজেহাল; পৃথিবীতে নেই কোনো বিশুদ্ধ চাকরি।’ আমাদের কমবেশি সবার জীবনে চাকরিকে কেন্দ্র করে গল্পটা প্রায় এক না হলেও কাছাকাছি। তবে ‘মনের মতো চাকরির’ ভাবনা থেকে আমরা অনেকেই হয়তো সরে এসেছি। আমাদের এখন দরকার একটা সরকারি চাকরি, দরকার নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা। তাই সরকারি চাকরি আজ সোনার হরিণের চেয়ে কম কিছু নয়।
আর এই স্বপ্নের টানে, সোনার হরিণকে নিজের করতে একজন চাকরিপ্রার্থী যখন পরীক্ষায় অংশ নিতে ঢাকায় আসেন, সঙ্গে নিয়ে আসেন কয়েক মাস কিংবা বছরের প্রস্তুতি, পরিবারের প্রত্যাশা আর ভবিষ্যৎ বদলানোর আশা।
সূত্র: প্রথম আলো