চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ আন্দোলনের মুখে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে দপ্তরে প্রবেশ করেছেন। এর আগে মাত্র ৫৬ দিন দায়িত্ব পালনের পর গত ২১ সেপ্টেম্বর কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অব্যাহতি দেওয়া হলে ক্যাম্পাসে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক শরীফুল আলম চুয়েটে দায়িত্ব নিয়েই আন্দোলন থামাতে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আটকে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ব্যাংক ঘেরাওয়ের মুখে সেই বেতন ছাড়তে হয়। এ ছাড়া দলীয় ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের পাশে বসিয়ে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের ঘটনা প্রতিষ্ঠানটিতে নিরপেক্ষ প্রশাসনিক পরিবেশ নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
টানা আন্দোলনের কারণে চুয়েটের অন্তত ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত বর্ষ ও সেমিস্টার পরীক্ষা স্থগিত হয়ে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিতর্কিত উপাচার্য চাপিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং সাবেক উপাচার্যকে অব্যাহতির সঠিক ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো