ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে যুদ্ধ তীব্র হয়ে উঠেছে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাজধানী সানা ও আশপাশের এলাকাগুলোর সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের যুদ্ধে ইরানের সক্রিয় ভূমিকা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, হুতিদের ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এবং প্রতিবেশী সৌদি আরবের সীমান্তের ওপারে সংঘাত বাড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে তেহরান।
এর উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অন্য দেশগুলোকে আরও বিস্তৃত এবং ব্যয়বহুল আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।তবে দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির কয়েকটি ইয়েমেনি দ্বীপে হুতিদের কিছু যোদ্ধার সীমিত ও অনিশ্চিত উপস্থিতি ছাড়া এখন পর্যন্ত বড় কোনো সামরিক সাফল্য পায়নি গোষ্ঠীটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ‘বিশেষজ্ঞদের’ সহায়তায় তারা কয়েকটি পরিখা ও সুড়ঙ্গ খনন করেছে।
পাশাপাশি দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নজর রাখা যায়, এমন উঁচু স্থানে রাডার সরঞ্জাম স্থাপন করেছে।সৌদি আরব কেন হুতিদের হারাতে পারবে নাহুতিদের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোও স্বীকার করেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে গোষ্ঠীটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো