জাপানের অনেক আঞ্চলিক শহর যখন জনসংখ্যা হ্রাস, প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভর নগর বিস্তারের চাপ সামলাতে নতুন পথ খুঁজছে, তখন তোইয়ামা সিটি ভিন্ন এক নগর ভাবনা সামনে এনেছে। কার্যকর গণপরিবহন, পরিকল্পিত আবাসন নীতি ও ডিজিটাল নাগরিক সেবার সমন্বয়ে শহরটি প্রমাণ করতে চাইছে—কম মানুষ নিয়েও নগরজীবন আরও সংযুক্ত, সহজ ও বাসযোগ্য হতে পারে।
তোইয়ামার গল্প এখন শুধু একটি শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নয়, বরং জাপানসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ নগর-নীতি পাঠ। হোনশু দ্বীপের জাপান সাগর উপকূলে অবস্থিত তোইয়ামা আকারে মাঝারি হলেও পরিচয়ে বহুমাত্রিক। পাহাড়, সমুদ্র, সামুদ্রিক খাদ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির টান শহরটিকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করেছে।
২০২৫ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের ৫২টি শীর্ষ পর্যটন গন্তব্যের তালিকায় থাকা দুই জাপানি শহরের একটি তোইয়ামা; তবে এর নগর পুনরুজ্জীবন কৌশলও এখন সমান আলোচনার বিষয়।তোইয়ামার এই নগর ভাবনা এবং এর প্রয়োগ কাছ থেকে দেখতে সম্প্রতি প্রথম আলোসহ টোকিওভিত্তিক বিদেশি গণমাধ্যমের কয়েকজন প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানায় শহর কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: প্রথম আলো