১৪ অক্টোবর ১৯২৬। বার্লিনের খ্যাতনামা প্রেক্ষাগৃহ ‘উফা-পালাস্ট আম জোলোজিশেন গার্টেন’-এ জাঁকজমকের সঙ্গে প্রদর্শিত হয় একটি চলচ্চিত্র। নাম ‘ফাউস্ট: আইনে ডয়চে ফোকজাগে’, যা বাংলায়: ‘ফাউস্ট: একটি জার্মান লোককথা’।১৪ অক্টোবর ১৯২৬। বার্লিনের খ্যাতনামা প্রেক্ষাগৃহ ‘উফা-পালাস্ট আম জোলোজিশেন গার্টেন’-এ জাঁকজমকের সঙ্গে প্রদর্শিত হয় একটি চলচ্চিত্র। নাম ‘ফাউস্ট: আইনে ডয়চে ফোকজাগে’, যা বাংলায়: ‘ফাউস্ট: একটি জার্মান লোককথা’।
পরিচালক ফ্রিডরিশ ভিলহেল্ম মুরনাউ। চলচ্চিত্র তখনো নির্বাক; পর্দায় শব্দের আগমন ঘটেনি। অথচ মুরনাউ এমন এক ‘শব্দহীন’ পৃথিবী নির্মাণ করেন, যেখানে মানুষ আর শয়তান, জ্ঞান আর অজ্ঞতা, প্রেম আর পাপ, আকাঙ্ক্ষা আর অনুতাপ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়, কী দারুণ বাঙ্ময়তায়!
কিন্তু মুরনাউর ‘ফাউস্ট’-এর শতবর্ষ উদ্যাপন আসলে শুধু একটি চলচ্চিত্রের শতবর্ষ নয়; এটি এমন এক চরিত্রের দীর্ঘ যাত্রার আরেকটি মাইলফলক, যে মুরনাউর অনেক আগে থেকেই মানুষের কল্পনায় বাস করছে।
সূত্র: প্রথম আলো