বেহেশতের প্রকৃতি সম্পর্কে চিন্তা করার সময় আমরা প্রায়ই পার্থিব জীবনের নিয়মকানুনের সঙ্গে পরকালের অলৌকিক জগতকে গুলিয়ে ফেলি।পৃথিবীতে আমরা যেসব সামাজিক নিয়ম, পর্দার বিধান কিংবা নারী-পুরুষের মেলামেশার নির্দিষ্ট সীমা মেনে চলি, তার সবই মূলত আমাদের শারীরিক ও নৈতিক সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত পরীক্ষা।কিন্তু বেহেশত পরীক্ষার কোনো জায়গা নয়; তা হলো ইমানদার বান্দাদের জন্য পার্থিব ভালো কাজের চূড়ান্ত পুরস্কারের আবাস।বেহেশতের জগত হলো সম্পূর্ণ অদৃশ্যের জগত বা ‘গাইব’।
পৃথিবীর ভৌত নিয়ম, সামাজিক বাধ্যবাধকতা বা বায়োলজিক্যাল সীমাবদ্ধতা দিয়ে সেই জগতের স্বাধীন পরিবেশকে পরিমাপ করা সম্ভব নয়।অনেক মানুষের মনেই প্রশ্ন জাগে, বেহেশতে কি নারী ও পুরুষকে আলাদা রাখা হবে?
নারীরা কি শুধু নিজ ঘরে বন্দি থাকবেন নাকি তারাও তাঁদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও সমাজের অন্যান্য মানুষের সঙ্গে স্বাধীনভাবে দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় কাটাতে পারবেন?বেহেশতের প্রতিদান লিঙ্গবৈষম্যহীনকোরআনে বেহেশতের পুরস্কারের বর্ণনায় পুরুষ ও নারীর মধ্যে কোনো ধরনের পার্থক্য করা হয়নি।
সূত্র: প্রথম আলো