বিক্ষোভের দিন, ১০ ও ১১ অক্টোবর দিল্লির সড়ক থেকে উঠে আসা দৃশ্যগুলো ভয়াবহ এবং গভীরভাবে উদ্বেগজনক। উদ্বেগের কারণ শুধু এই নয় যে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে পুলিশের চোখের সামনে নারীসহ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করার অভিযোগ উঠেছে; একইভাবে উদ্বেগজনক হলো, ইউনিফর্ম পরা সদস্যদের আচরণের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ। তাঁদের দেখে মনে হয়েছে, জবাবদিহির মুখোমুখি হওয়ার কোনো ভয়ই তাঁদের নেই।
সেদিনের ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—নারীদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁরাই তাঁদের শরীরে অশালীনভাবে স্পর্শ করেছেন এবং যৌন হয়রানি করেছেন।আইনের রক্ষকদের বিরুদ্ধেই যদি এমন আচরণের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ নাগরিকেরা কী সুরক্ষা আশা করতে পারেন? প্রায়ই ভারতের ‘ধর্ষণের রাজধানী’ হিসেবে বর্ণিত দিল্লি এখনো নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে।
এই পরিস্থিতি গোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ অভিযোগ তুলে ধরে।দিল্লিতে বিক্ষোভ: ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার স্মৃতি ফিরিয়ে আনছেপুলিশ যেভাবে বিক্ষোভ মোকাবিলা করেছে, তা আরও কিছু উদ্বেগজনক প্রশ্ন সামনে আনে।
সূত্র: প্রথম আলো