ইরাকে মার্কিন আগ্রাসন-পরবর্তী প্রাণঘাতী সাম্প্রদায়িক সংঘাত এবং এক দশক আগের আইএসের (আইএসআইএস) উত্থানের ক্ষত মধ্যপ্রাচ্যে এখনও তাজা। সম্প্রতি মসুলের কাছে আইএসের গণকবর থেকে কুর্দি পেশমার্গা যোদ্ধা, ইরাকি নিরাপত্তাকর্মী ও ইয়াজিদি নারী-শিশুর ৩০টির বেশি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিরিয়ার দেইরি আল-জোরে আরও একটি গণকবরের সন্ধান মিলেছে, যা চলতি বছরেই দেশটিতে আবিষ্কৃত অন্তত ১৮টি গণকবরের একটি।
গত বছর সিরিয়ায় আলউই সম্প্রদায়ের ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা এবং সুওয়ায়দায় দ্রুজদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলা নতুন গঠিত সিরিয়া রাষ্ট্রকে চরম অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়।
গৃহযুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই লেবানন, সিরিয়া ও ইরাক—পুরো মধ্যপ্রাচ্যেই এখন নতুন করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে।সিরিয়া–বিশারদ জোশুয়া ল্যান্ডিসের মতে, এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সইকস-পিকো চুক্তির মাধ্যমে গঠিত কৃত্রিম মধ্যপ্রাচ্য সীমান্তব্যবস্থার এক সহিংস পরিণতি, যাকে তিনি ‘বড় ধরনের বিভাজনপ্রক্রিয়া’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।মধ্যপ্রাচ্যে ‘শিয়া-সুন্নি বিভেদ’ তারা যে কারণে জিইয়ে রাখেওই চুক্তিতে পশ্চিমা পরাশক্তিগুলো সুন্নি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আব্রাহামীয় ও অ-আব্রাহামীয় জাতিগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক নতুন রাষ্ট্রগুলোয় অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
সূত্র: প্রথম আলো