মাছের হাটের সেই চিরচেনা হাঁকডাক এখনো আছে। বিক্রেতাদের সামনে সাজানো রয়েছে নানা ধরনের মাছ। কোনোটি জ্যান্ত, কোনোটি বরফে ঢাকা। রুই-কাতলা ও মৃগেলের পাশে আছে চিংড়িও। দেশি মাছের সঙ্গে দেখা মিলছে সামুদ্রিক মাছও। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ক্রেতারা দেখছেন আর চলছে দর–কষাকষি। কেনা মাছ কেউ ব্যাগে ভরছেন, কেউ নিয়ে যাচ্ছেন কাটাতে।
পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী থানার হাটে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মাছ ব্যবসায়ীদের চলে এই ব্যস্ততা।সজল দাসের দোকানে মাছ রাখার আয়োজন একটু আলাদা। পাশের পুকুরে জাল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে মাছ। দোকানে এক দফা বিক্রি শেষ হলে সেখান থেকে তোলা হয় আরেক দফা। পুকুর থেকে দোকান, তারপর ক্রেতার ব্যাগ—জ্যান্ত মাছের এই যাত্রা চলে হাটবারজুড়ে।লোকমুখে প্রচলিত, ‘পটিয়ার যেখানে পানি, সেখানে মাছ।’ গ্রামে গ্রামে পুকুরে মাছ চাষের বিস্তার যেন সেই কথারই ছবি।
থানার হাট সেই উৎপাদনের একটি ব্যস্ত বিক্রয়কেন্দ্র।
সূত্র: প্রথম আলো