তাঁদের কোনো পুঁজি ছিল না। ছিল শুধু প্রতিদিনের রান্নার চাল থেকে একমুঠো করে সঞ্চয় করার সামর্থ্য। সেই সঞ্চয় দিয়েই শুরু। ৭০ জন নারী এক মাসে প্রতিবেলায় একমুঠো করে জমিয়ে যে চাল হতো তাই দিয়ে চারজনকে কিনে দেওয়া হতো হাঁস–মুরগি। এভাবে ১৭ মাসের মধ্যে ৭০ জনই পেলেন ঘুরে দাঁড়ানোর প্রাথমিক সম্বল। পরের ধাপে সপ্তাহে ৭০ টাকা করে সঞ্চয় করা শুরু করলেন তাঁরা।
মাস শেষে যা দিয়ে গরু–ছাগল কিনে দেওয়া শুরু হয় সদস্যদের।রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার পাতাইপাড়া গ্রামে মুঠো মুঠো চাল দিয়ে শুরু হওয়া সেই যাত্রা এখন হস্তশিল্পে পৌঁছেছে। উদ্যোক্তা মারজাহান ইয়াসমিনের নেতৃত্বে পাতাইপাড়া ও আশপাশের গ্রামের প্রায় ৩০০ নারী নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন। সংসারে এসেছে সচ্ছলতা।
সব মিলিয়ে দারিদ্র্যের আঁধার কাটিয়ে আলোকিত এক গ্রাম হয়ে উঠেছে পাতাইপাড়া।গ্রামের বাসিন্দা ও হারিয়ালকুটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আছিমুদ্দীন সরকার প্রথম আলোকে বলেন, মারজাহানের চেষ্টায় গ্রামটি এখন অভাবমুক্ত।
সূত্র: প্রথম আলো