সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন নারী নিজের মত জানাবেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন কিংবা জীবনের আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নেবেন—এ জন্য তাঁকে অশ্লীল মন্তব্য ও যৌন সহিংসতার হুমকি সহ্য করতে হবে কেন? এটা নারীর প্রতি বিদ্বেষ ও সহিংসতাকে স্বাভাবিক করে তোলার উদ্বেগজনক লক্ষণ।
ডিজিটাল পরিসরে নারীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।এই পরিস্থিতিতে ‘নো মোর সাইলেন্স’ গ্রুপের নীরব না থাকার আহ্বান তাৎপর্যপূর্ণ। পর্দার আড়ালে থেকে যা খুশি বলে পার পাওয়া যাবে—এই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে আনা প্রয়োজন। অনলাইন আচরণেরও সামাজিক দায় আছে। তবে এই উদ্যোগের জনপ্রিয়তা একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিকারের ঘাটতিকেও সামনে আনে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগে দ্রুত সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও প্রতিকার নিশ্চিত হলে জবাবদিহির জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগের ওপর এতটা নির্ভর করতে হতো না।এ ধরনের উদ্যোগেও অবশ্য সতর্কতা অপরিহার্য।
সূত্র: প্রথম আলো