রোদঝলমলে দুপুর। মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় আফ্রিকান গন্ডারটির খাঁচার সামনে ভিড় জমিয়েছেন দর্শনার্থীরা। বেড়ার পাশে ছায়ায় মাটিতে মুখ রেখে শুয়ে আছে বিশালদেহী প্রাণীটি। তাকে দেখে উচ্ছ্বসিত শিশুরা চিৎকার করে উঠছে, ‘গন্ডার, গন্ডার!’ কিন্তু দর্শনার্থীদের হইচইয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই তার। নির্বিকার পড়ে আছে সে।একসময় এই গন্ডারেরও সঙ্গী ছিল। ২০১৩ সালে সেই সঙ্গী মারা যাওয়ার পর থেকে একাই দিন কাটছে তার।
১৩ বছরের বেশি সময় ধরে খাঁচায় নিঃসঙ্গ জীবন কাটছে প্রাণীটির।হামাদ্রিয়াস বেবুন। বানর প্রজাতির হলেও এর মুখমণ্ডল কুকুরের মতো লম্বা। ২০২২ সাল থেকে প্রাণীটি নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছে। জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এক জোড়া আফ্রিকান গন্ডার আনা হয়েছিল জাতীয় চিড়িয়াখানায়। ২০১৩ সালে মারা যায় পুরুষ গন্ডারটি। সঙ্গীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হয়ে পড়ে এই মাদি গন্ডার।
মেডিক্যাল বোর্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মালিকের যৌথ প্রচেষ্টায় এক পর্যায়ে সুস্থ হয়ে ওঠে সে।
সূত্র: প্রথম আলো