জিজ্ঞাসা করলাম, ‘এই টমটম গাড়ির ওপর এগুলো কারা আঁকেন?’সরল উত্তর, ‘মেয়ে–ছেলেরা’।আমাকে অবাক করে দিল। বাংলায় নারী–পুরুষ যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে কর্ম করে চলেছেন। এটি তার ছোট একটি উদাহরণ। পূজার সময় তাঁরা সুদূর বগুড়া থেকে আসেন আমাদের এ তল্লাটে বাণিজ্য করতে। তাঁদের সঙ্গে আমার সখ্য ছোটবেলা থেকেই। বছরে অন্তত একবার সাক্ষাৎ হয়।খুলনা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁদের কাছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা আসেন টমটম গাড়ি সংগ্রহ করতে।
পরে এগুলো বিভিন্ন মেলায় পাওয়া যায়। আগে তাঁদের অনেক বৃহৎ পরিসরে আসতে দেখেছি। তখন ট্রাকভর্তি সওদার জিনিসপত্র নিয়ে আসতেন; জনবলও যথেষ্ট থাকত। এখন দিন বদলেছে, বাচ্চারা এসব ইন্টারঅ্যাক্টিভ খেলনাসামগ্রী থেকে কৃত্রিম সিমুলেশন; ফোন স্ক্রিনের প্রতি বেশি আকর্ষিত। এ ছাড়া পরিবহন খরচ, কাঁচামালের দামও বাড়ছে। ফলে তাঁদের বাণিজ্য সংক্ষিপ্ত হয়েছে।
প্লাস্টিক এবং বিদেশি খেলনার দাপট তো আছেই!টমটম গাড়ি বানাচ্ছেন কারিগরেরা।এক কুমড়ার ওজন ১ হাজার ২৯৬ কেজি!টমটম গাড়ির গঠনের দিকে তাকানো যাক।
সূত্র: প্রথম আলো