পৃথিবীর কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। একসময় যা কিছু অস্তিত্বহীন ছিল, কালের নিয়মেই তা রূপ পরিগ্রহ করেছে; আবার নির্দিষ্ট সময় শেষে তা নিঃশেষ হয়ে যাবে।কিন্তু এই মহাজাগতিক ক্ষণস্থায়িত্বের অন্তরালে মানুষের অর্জন, পুণ্য, চরিত্র ও গুণাবলির স্বাভাবিক আয়ু কতটুকু?
মানবিক মূল্যবোধ, ভালো কাজ ও বংশীয় মর্যাদারও একটি নির্দিষ্ট জীবনচক্র বা বয়সের সীমা রয়েছে।ইতিহাস, ধর্ম ও মানব মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যেকোনো বংশ, জাতি বা আদর্শের উত্থান-পতনের এই স্বাভাবিক বয়সকাল মূলত চার পুরুষ বা চার প্রজন্মজুড়ে বিস্তৃত।ইতিহাস যেভাবে নিজের পুনরাবৃত্তি করে যেকোনো পরিবার, গোত্র বা জাতির উত্থান ও পতনের গতিপথ প্রধানত চার পুরুষের একটি আবর্তনে ঘটে থাকে।চার নম্বর প্রজন্মে এসে উত্তরসূরিরা দেখতে পায়, তাদের পূর্বপুরুষদের কীর্তিগাথা স্বর্ণের সিংহাসনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তারা ধরে নেয় এই উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত খ্যাতি চিরস্থায়ী।১. প্রথম পুরুষ: এই পুরুষ সংগ্রামী ও মূল ভিত্তি।
সূত্র: প্রথম আলো