কুমিল্লায় যুবদলকর্মী আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলামকে রক্তমাখা জামাসহ আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে শুক্রবার দিবাগত রাত একটার দিকে নগরের নুরপুর এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় কোতোয়ালি মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। হেফাজতে নেওয়ার আগে উত্তেজিত জনতা তাঁকে কয়েক দফা মারধর করে। পরে আহত তৌহিদুলকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় যুবদল কর্মী মো. সোহাগ হোসেন জানান, মধ্যরাতে নুরপুর এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামার পর ফেসবুকে দেখা ছবির সঙ্গে মিলিয়ে এবং পরনের রক্তমাখা জামা দেখে তিনি তৌহিদুলকে শনাক্ত করেন। এ সময় তৌহিদুল ছোরা দিয়ে হামলার চেষ্টা চালালে সোহাগের চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে পাশের একটি ঘরের চালের ছাদে উঠে পালানোর চেষ্টা করলে ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে ধরে ফেলে মারধর করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, হত্যাকাণ্ডের পর আত্মগোপনে থাকা তৌহিদুলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে নগরের ছত্রখিল এলাকায় গোমতী নদীর পাড়ে জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে আবু কাউছারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো