ধরুন আপনি আমেরিকায় যাচ্ছেন। সঙ্গে আম বা পেঁপে নিয়েছেন। আপনাকে এয়ারপের্টে জিজ্ঞেস করবে, সঙ্গে কোনো টাটকা ফল আছে কি না, থাকলে তা নিতে দেবে না। ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়াসহ অনেক দেশেই এই আইন। ওরা ফল নিতে দেয় না, কারণ ফলে যে পোকা বা অণুজীব থাকে, তা ওইসব দেশে ছড়িয়ে পড়লে তাদের সর্বনাশ হবে। তাদের দেশের ফলও পোকায় বা অণুজীবে আক্রান্ত হবে।
সে জন্য বিদেশে ফল রপ্তানি করতে হলে তা প্রচলিত পদ্ধতিতেই করা হয়, তবে গামারশ্মি দিয়ে পোকার ডিম, লার্ভা (শূককীট) নিষ্ক্রিয় করতে হয়। নিষ্ক্রিয় করার অর্থ হলো ওইসব পোকা ডিম পাড়লেও সেই ডিম ফুটবে না।
কোনো ক্ষেত্রে তা ফুটলেও ওই নিষ্ক্রিয় পোকা বংশ বিস্তার করতে পারবে না।ফল ও সবজির মধ্যে পার্থক্য কীজীববিজ্ঞানী রেজাউর রহমান দেখান, যদি পরিমিত গামারশ্মি প্রয়োগ করা হয়, তাহলে ফলের ভেতরে অবস্থানরত একটি শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে যাবে।কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফল যথাযথভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে কি না তা কীভাবে বোঝা যাবে?
সূত্র: প্রথম আলো