তাঁর চোখ বাঁধা হলো।বুটের প্রথম লাথি রক্তাক্ত করলো তার মুখ।থ্যাঁতলানো ঠোঁটজোড়া লালা-রক্তে একাকার হলো,জিভ নাড়তেই দুটো ভাঙা দাঁত ঝরে পড়ল কংক্রিটে।—রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’আনা ফ্রাঙ্ককে চেনেন না, এমন মানুষ বোধ হয় কমই আছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে লুকিয়ে থাকা এক কিশোরীর ডায়েরি কীভাবে সে সময়ের প্রমাণ আর সাক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে, আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি তারই এক অসাধারণ উদাহরণ।
একটি কিশোরীর ব্যক্তিগত লেখা কীভাবে একটি সময়ের ইতিহাস হয়ে ওঠে, সেটিও আমরা তার ডায়েরি পড়ে বুঝতে পারি।কিন্তু আনা একা নন, ইতিহাসের অন্ধকার সময়ে আরও অনেক কিশোর-কিশোরী তাদের দিনগুলোর কথা লিখে গেছে। তাদের অনেকের লেখা হারিয়ে গেছে, অনেকের নামও আমরা জানি না। সেই হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠগুলোর মধ্যে রুৎকা লাস্কিয়ার অন্যতম।রুৎকা লাস্কিয়ারকে বলা হয় ‘পোলিশ আনা ফ্রাঙ্ক’।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা, চারপাশের মানুষ, ভয়, ভালোবাসা, আশা, স্বপ্ন এবং প্রতিদিনের ছোট ছোট ঘটনাগুলো সে লিখে রেখেছিল তার নোটবইয়ে।
সূত্র: প্রথম আলো