বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে, যুদ্ধের কারণে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে এবং এল নিনোর প্রভাবে খরায় শস্য উৎপাদন কমে গেছে। এসব কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যের আরও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যে মূল্যস্ফীতির এ ধারা আগামী মাসগুলোয় আরও তীব্র হতে পারে এবং তা ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ফলে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সাধারণ ভোক্তারা সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বেন।জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো বলেন, খাদ্য সরবরাহব্যবস্থার ওপর এখন বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে, আগামী বছরের শুরুতে, এমনকি আগামী বছরজুড়েই এর বড় প্রভাব দেখা যাবে।মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও এশিয়ার নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় খাদ্যপণ্যের দাম দ্রুত বাড়ছে।
এসব দেশের পরিবারগুলো আয়ের বড় অংশ খাবার কিনতে ব্যয় করে।
সূত্র: প্রথম আলো