ওয়ারশ থেকে পোলিশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট ৫৭৯ পৌনে দুই ঘণ্টায় পৌঁছে গেলাম বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাজধানী সারায়েভোতে।ইউরোপের বহু শহর দেখেছি; কিন্তু আকাশ থেকে সারায়েভোকে প্রথম দেখার অনুভূতিটি আলাদা। আধুনিক নগরায়ণ এখানে প্রকৃতিকে গ্রাস করেনি, বরং পাহাড়, নদী আর মানুষের বসতি মিলে শহরটিকে যেন একটি প্রাকৃতিক অ্যাম্ফিথিয়েটারের মধ্যে গড়ে তুলেছে। পাহাড়ের মাঝখানে গভীর এক উপত্যকা।
সেই উপত্যকার বুক চিরে বয়ে চলেছে মিলিয়াতস্কা নদী, আর নদীর দুই পাশ থেকে পাহাড়ের ঢালে ঢালে উঠে গেছে ঘরবাড়ি।আরেকটি দৃশ্য বিশেষভাবে চোখে পড়ল—পাহাড়ের কোলে কোলে অসংখ্য মসজিদের সরু মিনার। মূলত এক মিনারবিশিষ্ট মসজিদ।
অটোমান স্থাপত্যে দুই বা তার বেশি (চার বা ছয়টি) মিনারবিশিষ্ট মসজিদগুলোকে বলা হতো ‘সেলাতিন মসজিদ’ বা রাজকীয় মসজিদ বা সুলতানি মসজিদ।এক শ্রমিক নেতা আরেক পিয়ানোবাদকের দেশেবলকান অঞ্চলের অটোমান স্থাপত্যের মসজিদগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ সাদৃশ্য আছে।
সূত্র: প্রথম আলো