অবহেলা-ঔদাসীন্যে প্রবাস-শ্রমজীবীদের আর একটি প্রাণও যেন ক্ষয় না হয়, সেই দায় ও দায়িত্ব নেওয়ার এখনই সময় রাষ্ট্রের। এই দুটি মৃত্যুদণ্ডকে গণ্য করতে হবে রাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত সতর্কতা-ঘণ্টা হিসেবে। লিখেছেন হেলাল মহিউদ্দীনদেশজুড়ে মক্কার দুই মৃত্যুদণ্ড এবার যতটা আলোড়ন তুলেছে, আগে কখনোই তেমনটি দেখা যায়নি। পেছনে যৌক্তিক কারণ অসংখ্য। রাষ্ট্র আদৌ ঠিকঠাক চলছে কি না, প্রশ্নটি উঠেছে সবচেয়ে বেশি।
কারণ, ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এর পত্রিকাগুলো জানায় নজরুল ইসলাম বাসির ও সুইটি (সিতি) আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা ঢাকা জানতই না। সব পত্রিকার একই ভাষ্য, সৌদি প্রেস এজেন্সি খবর দেওয়ার পর ১৫ অক্টোবর জেদ্দা কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র দপ্তরকে চিঠি পাঠায়। জেদ্দা কনস্যুলেটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিচার চলা বা দণ্ড কার্যকর নিয়ে কোনো নোটিফিকেশন বা কূটনৈতিক পত্র তাঁরা পাননি।
সৌদি বিবৃতিতে শুধু দুটি নাম ছাড়া আকামা বা পাসপোর্টের তথ্যটুকুও ছিল না।
সূত্র: প্রথম আলো