পূজায় শাড়ি, গয়না ও সাজসজ্জায় লাল–সাদার মেলবন্ধন তুলে ধরছেন অনেকেই। চিরায়ত এই দুই রঙে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি প্রকাশ পাচ্ছে নিজস্ব রুচি ও স্টাইল। তিন রকমের সাজে থাকছে সেই গল্প।চাইলে এভাবেও শাড়ি পরা যায়। লাল ও বেজ রঙের দুটি শাড়িকে এক করে একটু ভিন্নভাবে পরানো হয়েছে এখানে। একটি শাড়ির আঁচল সামনে এনে পরানো হয়েছে। আরেকটির আঁচল পেছনে নেওয়া হয়েছে। পরানোর ভিন্নতার কারণেই পুরো সাজে চলে এসেছে নতুনত্ব।
লাল কাতানের ব্লাউজের সঙ্গে গলায় আছে স্তরভিত্তিক মালা, কানে ঝোলানো দুল ও হাতে চওড়া বালা। কপালে লাল টিপ, গাঢ় লাল ঠোঁট আর পরিপাটি খোঁপায় ঐতিহ্যবাহী সাজে যোগ হয়েছে রাজকীয় আমেজধারণা করা হয়, সিঁদুর-আলতার লাল আর কাশফুলের সাদা রং থেকেই পূজার পোশাকে লাল-সাদার আধিক্য এসেছে। সেই থেকে পূজার সাজে এই দুই রঙের আলাদা কদর। ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা আধুনিক ফিউশন পোশাক—দুই ধরনের সাজেই লাল-সাদার মেলবন্ধন এনে দিতে পারে উৎসবের আমেজ।
পূজার সময় মণ্ডপে গেলে চোখ আটকে যায় দর্শনার্থীদের পোশাক, সাজ আর রঙের বৈচিত্র্যে।
সূত্র: প্রথম আলো