সৌদি আরবে গত ১৪ অক্টোবর দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর ভিডিও ও তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সেখানে এক নারীর শিরশ্ছেদের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে এটি তাদের মৃত্যুদণ্ডের দৃশ্য। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এটি ২০১৫ সালে সৌদি আরবে সৎকন্যাকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত মিয়ানমারের এক নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পুরোনো ভিডিও।
একইভাবে তাদের মরদেহ দেশে ফিরেছে দাবি করে বিমানবন্দরে কফিন বহনের যে ভিডিও এবং ছবি প্রচার করা হচ্ছে, তাও অসত্য। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক নিশ্চিত করেছে যে তাদের মরদেহ এখনো দেশে আসেনি। মূলত গত মে মাসে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মুরাদ শেখ নামের এক প্রবাসীর মরদেহ দেশে আনার ছবিকে এ ঘটনায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে আরও প্রচার করা হয় যে ওই দুজন স্বামী-স্ত্রী ছিলেন এবং হানিমুনের বদলে ওমরাহ করতে গিয়েছিলেন। তবে নজরুলের বাবা আবদুল বাছির বিষয়টি নাকচ করে জানিয়েছেন নজরুল অবিবাহিত ছিলেন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে সৌদি গিয়েছিলেন। এদিকে বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মৃত্যুদণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো