২০১৫ সালে পারিবারিক উদ্যোগে শুরু হওয়া এই পূজা এখন পরিবারের ১৪টি শাখার সদস্যদের একত্র হওয়ার উপলক্ষ। সারা বছর নানা কাজে দূরে থাকা স্বজনেরা পূজার কয়েকটি দিন এক ছাদের নিচে মিলিত হন। বাড়ির উঠানে জমে আড্ডা, চলে পূজার প্রস্তুতি, আর বড়দের কাছ থেকে ছোটরা শিখতে থাকে পূর্বপুরুষের রীতিনীতি। এভাবে নাগরনন্দী ঘোষবাড়ির দুর্গোৎসব হয়ে উঠেছে দেবীর আরাধনা, পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির এক সম্মিলিত আয়োজন।
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, আবেগ, ঐতিহ্য ও মিলনেরও উৎসব। এই উৎসবে দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে যেমন অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জয়ের প্রার্থনা করা হয়, তেমনি স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দেও ভরে ওঠে মানুষের মন। মুন্সিগঞ্জের বালাশুরের নাগরনন্দী ঘোষবাড়িতে দুর্গাপূজা মানে শুধু দেবী দুর্গার আরাধনা নয়, পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে হওয়ার উপলক্ষও।
বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের স্বাধিকারের গ্রামের বাড়ির দুর্গাপূজা হিসেবেও পরিচিত এটি।
সূত্র: প্রথম আলো