বাজারে মাছ, মাংস, তেল, ডাল, শাকসবজি সবার মধ্যে একতা দেখে অবাক বিপুল চৌধুরী। কী দারুণভাবেই না ওরা নিজেদের দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে! ইশ্, এই একতাটা যদি মানব সম্প্রদায়ের মধ্যেও থাকত। কী নিদারুণভাবেই না মানুষের দাম কমছে!হঠাৎ বাসার গেটের দিকে চোখ পড়তেই উচ্চমার্গীয় চিন্তায় বাধা পড়ল। গেটের সামনে একটা চ্যাংড়া ছেলে দাঁড়িয়ে। ছেলেটা একটু পরপর মাথা উঁচু করে তার বাসার দিকে তাকাচ্ছে আবার চোখ নামিয়ে হাঁটছে। ভুরু কুঁচকে গেল বিপুলের।
এ এখানে কী চায়? দিনকাল ভালো না। চোরছ্যাঁচড় না তো?বিপুল চৌধুরী বিপুল বেগে ছুটে এলেন। ‘বাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে এমন ঘুরঘুর করছ কেন, কাকে চাই?’ —না মানে গেটে কোনো দারোয়ান দেখছি না তো, তাই... ‘আমি আছি, বলো।’ চোখ পাকিয়ে ঝাড়ি দিলেন বিপুল। —আসলে হয়েছে কী দারোয়ান চাচা, আমি সুমিদের বাসায় যেতে চাইছিলাম। ও এই বিল্ডিংয়েই থাকে। আমাকে ব্লক করে রাখায় মোবাইল ফোনে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।ত্যাঁদড়টা তাকে ‘দারোয়ান চাচা’ বলল!
ঠাডিয়ে একটা চড় মারার সুপ্ত বাসনাটা আপাতত দমিয়ে রাখলেন বিপুল।
সূত্র: প্রথম আলো