সৌদি আরবে শ্রমবাজারের সংকট, বিমানবন্দরে হামলা বা নিরাপত্তাঝুঁকি, ফ্লাইট বাতিল, ভিসার অনিশ্চয়তা কিংবা কর্মীদের আটকে পড়া-প্রতিটি ঘটনা বাংলাদেশের সামনে একটি নির্মম প্রশ্ন তুলেছে: যে শ্রমিকের ঘামে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার সমৃদ্ধ হয়, বিপদের দিনে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মতো প্রস্তুতি রাষ্ট্রের কতটুকু?
প্রবাসীর পাঠানো অর্থের হিসাব রাখতে আমরা যতটা তৎপর, তাঁর জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কি ততটাই দায়িত্বশীল?এটি নিছক প্রশাসনিক দুর্বলতার প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক দূরদর্শিতা ও নাগরিকের মর্যাদার প্রশ্ন। প্রবাসী শ্রমিককে আমরা অর্থনীতির যোদ্ধা বলি, রেমিট্যান্সকে উন্নয়নের প্রাণশক্তি বলি। অথচ সংকট এলে তাঁদের সুরক্ষার কার্যকর পরিকল্পনা না থাকলে উন্নয়নের এই দর্শনেই গভীর অসংগতি প্রকাশ পায়।
যে রাষ্ট্র নাগরিকের উপার্জনকে জাতীয় সম্পদ মনে করে, সেই রাষ্ট্র কি তাঁর বিপদকে একান্ত ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্য বা আকস্মিক বিপর্যয় বলে পাশ কাটাতে পারে?সৌদি শ্রমবাজারে সংকট: সামনে বিকল্প কীসৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার।
সূত্র: প্রথম আলো