জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার দিনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, নিউইয়র্ক
ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।তবে বিরোধী শিবির আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করে যদি নেতানিয়াহু সরকারকে সরিয়ে দেয়, তবু তাঁকে ও ইসরায়েলকে ঘিরে যেসব আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপ চলছে, তা তাঁর সরকারের পতন সত্ত্বেও টিকে থাকবে।নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল হবে না বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আনা গণহত্যার মামলা থেমে যাবে না।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো পদত্যাগ করলে বা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলে নেতানিয়াহু সেই ব্যক্তিগত দায়মুক্তি হারাবেন, যা কয়েকটি দেশ তাঁকে গ্রেপ্তার না করার বাহানা হিসেবে ব্যবহার করেছে।
এর ফলে তিনি আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও বিদেশি জাতীয় আদালতগুলোয় বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে আরও বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বেন।গাজায় অনাহারকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা, হত্যা, নিপীড়নসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসি ২০২৪ সালের নভেম্বরে নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।গত বছর গাজাগামী একটি ত্রাণ বহরে ইসরায়েলের বাধা দেওয়ার ঘটনার জেরে নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তুরস্কের আদালতেও নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতিতে বিচার ও গ্রে...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।