কিছু মানুষ হরিয়াল রঙের। কিছু মানুষ কচুরিপানা ফুল রঙের। কিছু মানুষ গহিন জলরঙের। কিছু মানুষ নিষ্ফলা মাটি রঙের। আরও কত রঙের মানুষ দেখেছে বনিজুল! গিলা-কলিজা কী রঙের ছিল? মহিষ রঙের। গিলা-কলিজাকে সাইজ করেছে ডাকাইত। গিলা-কলিজা প্রকাশ মহসিন, ডাকাইত প্রকাশ মতলবের হামেদ। মহসিনের নাম কীভাবে গিলা-কলিজা হয়ে গেল, সেই ইতিহাস শোনে নাই বনিজুল। লোকাল আন্ডারগ্রাউন্ডের এ রকম অসংখ্য ইতিহাস সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
এটা বিরাট আফসোসের ব্যাপার। মতলবের হামেদ দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে মানুষ খুন করে ডাকাইতের মতো। এই হলো ডাকাইত নামের ইতিহাস। বেকুব গিলা-কলিজা কত বড় বেকুব, ফোন দিয়ে বসেছিল খোদ এ টি এম আবেদ মনসুরের পারসোনাল নাম্বারে। শুধু এই অপরাধেই এ টি এম আবেদ মনসুর তাকে হত্যার নির্দেশ জারি করতে পারতেন। পঞ্চাশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে শাসিয়েছে এ টি এম আবেদ মনসুরকে।
চাঁদা না দিলে মব করে এ টি এম আবেদ মনসুরের সিরামিক কারখানা ধ্বংস করে দেবে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।