স্নেহাশীষ বড়ুয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেড
বাংলাদেশে এত দিন ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর করকাঠামো বেশ জটিল ও উচ্চ করভারের ছিল। লভ্যাংশ আয়কে সাধারণ আয়ের সঙ্গে যোগ করে উচ্চ আয়ের করদাতাদের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নিয়মিত হারে কর দিতে হতো। যাদের সারচার্জ প্রযোজ্য, তাদের জন্য করহার ৩৭ থেকে ৩৮ শতাংশ হতে পারে। অর্থাৎ ১০০ টাকা লভ্যাংশ আয় করলে ৩৭–৩৮ টাকা কর দিতে হতো। পাশাপাশি উৎসে কর কর্তন ছিল ‘ন্যূনতম কর’।
ফলে অতিরিক্ত কেটে রাখা কর কখনো সমন্বয় বা ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। অর্থ আইন ২০২৬–এর মাধ্যমে ২০২৬–২৭ করবর্ষ থেকে এ ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে। আয়কর আইনের সপ্তম তফসিল অনুসারে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার লভ্যাংশ আয়ের ওপর করের হার এখন সরাসরি ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
উৎসে কেটে রাখা কর আর চূড়ান্ত ন্যূনতম কর নয়, এটি এখন অগ্রিম আয়কর হিসেবে গণ্য হবে।উদ্যোক্তা ও শীর্ষ করদাতাদের জন্য এটি স্বস্তিদায়ক হলেও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি নতুন এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।১. উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বড় স্বস্তি: বেতন বনাম লভ্যাংশকোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের জন্য এই সংশোধনী কর পরিকল্পনার এক চমৎকার দিগন্ত খুলে দিয়েছে।আগের নিয়মে পরিচালকেরা কোম্পানি থেকে লভ্যাংশ না নিয়ে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিতে বেশি আগ্রহী হতেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।