অলংকরণ: মাসুক হেলাল
শামীম সারা দিন এত ব্যস্ত ছিল যে সে কাঁদতে ভুলে গিয়েছিল। শায়ন্তীকে কবরে শোয়ানো হয়েছে আসরের নামাজের পর। তার পরেও অনেকক্ষণ তারা কবরস্থানে ছিল। রূপাকে সেখান থেকে বাড়িতে আনা যাচ্ছিল না। তারা অবশেষে বাড়ি ফিরেছে মাগরিবের পর। রাত নয়টার দিকে ড্রয়িংরুমে এশার নামাজে দাঁড়িয়ে শামীম আর কান্না ধরে রাখতে পারল না। রূপা তখনো বেডরুমে তসবিহ হাতে বসে কাঁদছে। ঝাড়া কয়েক মিনিট কাঁদল শামীম। তার কান্নায় ব্যাঘাত ঘটাল একটা ফোনকল।
সারা দিন অনেক ফোন এসেছে; সে কিছু কল ধরতে পেরেছে, কিছু পারেনি। এখন যে নম্বর থেকে কলটা এল, সেটা তার ফোনে সেভ করা নেই। সারা দিন সে অনেক আনসেভড নম্বর থেকে আসা কল রিসিভ করেছে। নম্বরটার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে সে কলটা ধরতে ধরতে জায়নামাজ ছেড়ে পাশে একটা সোফায় গিয়ে বসল। ‘আসসালামু আলাইকুম।’ ‘এটা শামীমের ফোন?’ ওপাশ থেকে কেউ জানতে চায়। ‘জি, বলছি।’ শামীম চোখ মুছতে মুছতে বলে। ‘আমি এমদাদ।’ শামীম কণ্ঠটা চিনতে পারে।
সে বুঝে যায় লোকটা এখন তাকে কী বলবে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।