বিশ্ব ষ্ট্রোক দিবস: গোলটেবিল বৈঠকে (বাঁ থেকে) বাহাদুর আলি মিয়া, জাহিদ রায়হান ও মালিহা হাকিম। প্রথম আলোর কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। ১ নভেম্বর ২০২৬
কারও স্ট্রোক হলে চার ঘণ্টার মধ্যে যদি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনে (রিহ্যাবিলিটেশন) বিপুল খরচের বিষয়টি এড়ানো সম্ভব। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে সেভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। তবে ১০টি ফ্যাক্টর বা বিষয় মেনে চলতে পারলে ৮০ শতাংশ স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব; কিন্তু ওই ১০টি ফ্যাক্টরের অধিকাংশই বাংলাদেশে বিদ্যমান।
আজ রোববার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আকিজ মেডিপ্লেক্সের সহযোগিতায় এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল প্রথম আলো।বৈঠকে আলোচনায় অংশ নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের (এনআইএনএস) নিউরোলজি বিভাগের সাবেক প্রধান ও সিএমএইচের ভিজিটিং প্রফেসর মালিহা হাকিম বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের চিকিৎসা ব্যয়বহুল।
তাই সেখানে সবার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।