পবিত্র কোরআনে মানবজাতির হেদায়েতের জন্য অসংখ্য শিক্ষণীয় গল্প বা ‘কাসাস’ স্থান পেয়েছে।
তবে যেকোনো সাধারণ কাজের মতোই সাহিত্য পাঠের ক্ষেত্রেও ইসলামে হালাল-হারামের সুস্পষ্ট সীমারেখা ও ফিকহি বিধান রয়েছে।বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে গল্প বা উপন্যাস পড়ার ক্ষেত্রে ইসলামের বিধানগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।নীতিবাচক গল্প পাঠ যে উপন্যাসে মানবজীবনের বাস্তব চিত্র, নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, ইতিহাস এবং ন্যায়ের বিজয় ফুটে ওঠে, তা পড়া ইসলামে সম্পূর্ণ বৈধ বা ‘মুবাহ’।পবিত্র কোরআনে আল্লাহ নবীজিকে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘সুতরাং আপনি এসব কাহিনি বর্ণনা করুন, যাতে তারা চিন্তা করে।’ (সুরা আরাফ, আয়াত: ১৭৬)যেসব সাহিত্য মানুষের চরিত্র গঠনে সাহায্য করে, তা পাঠ করাতে কোনো বিধিনিষেধ নেই।সুরা নুর, আয়াত: ১৯নিশ্চয়ই যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।ইসলামের ইতিহাসে বই পোড়ানোর রাজনীতিঅনৈতিক সাহিত্যের বিধান উপন্যাস বা গল্পের নামে যেসব বইয়ে অবাধ যৌনতা বা অপরাধমূলক কাজকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়, ইসলামি আইনে সেগুলো পড়া, কেনা বা প্রচার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কারণ, এগুলো মানুষের চরিত্র নষ্ট করে এবং পাপের প্রতি প্ররোচিত করে।কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।’ (সুরা নুর, আয়াত:...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।