নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তৈমুর রেজা
মোতাহের হোসেন চৌধুরী ‘সংস্কৃতি-কথা’ প্রবন্ধের প্রথম লাইনে লিখেছিলেন, ‘ধর্ম্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত, মার্জ্জিত লোকের ধর্ম্ম।’কালচার এখানে একটা উৎকর্ষ, সর্বসাধারণের ব্যাপার নয়। ইংরেজ নৃতত্ত্ববিদ এডওয়ার্ড বার্নেট টাইলর ১৮৭১ সালে কালচারের যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন (কালচার সর্বজনের, মানবসমাজের কোনো অনুষঙ্গই যার আওতার বাইরে নয়), তা মোতাহের হোসেন চৌধুরীর সংস্কৃতি থেকে যোজন–যোজন দূরে।
টেইলরের সংজ্ঞাটাই শুদ্ধ, মোতাহের ভুল—এমন ধরে নিলে উনিশ শতকের চিন্তার ইতিহাসে প্রবেশ আমাদের পক্ষে সহজ হবে না।কাজী আবদুল ওদুদ খেয়াল করেছেন, উনিশ শতকে ইউরোপে চিন্তার একটা কেন্দ্রীয় ক্যাটাগরি ছিল সংস্কৃতি।
এ বিষয়ে চিন্তাচেতনার যে বিবর্তন ঘটছিল, তার একটা ঝটিতি ছবি দিয়েছেন আবুল মনসুর আহমদ, ‘কালচার-চিন্তার প্রথম যুগে ম্যাথু আর্নল্ড বা ওয়াল্ডো এমারসন এর যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন, সেটা ছিল সংকীর্ণ।’ কিন্তু বিশ শতকে এজরা পার্ক ও টেইলর একে খুব ব্যাপ্ত অর্থে এস্তেমাল করেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।