advertisement
advertisement

বিবাহপূর্ব রোগ: কতটা প্রকাশ বাধ্যতামূলক, কতটা ব্যক্তিগত


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
বিবাহপূর্ব রোগ: কতটা প্রকাশ বাধ্যতামূলক, কতটা ব্যক্তিগত

advertisement

বিয়ের মাত্র কয়েক দিন আগে কোনো পাত্রী যদি জানতে পারেন যে তাঁর হবু বর এক দীর্ঘমেয়াদি ছোঁয়াচে ব্যাধির চিকিৎসা নিচ্ছেন, তবে তাঁর মনে কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে? হতে পারে, চিকিৎসক আশ্বস্ত করেছেন যে নিয়মিত চিকিৎসায় থাকায় ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি।পাত্রের দৃষ্টিতে এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিষয়ক গোপনীয় তথ্য।

কিন্তু ডায়াগনসিস বা রোগের নামটির চেয়েও বড় হয়ে দেখা দেয় একটি মৌলিক নৈতিক প্রশ্ন, সম্মতি দেওয়ার আগে এটি জানার অধিকার কি ওই নারীর ছিল না?এ ধরনের প্রতিটি পরিস্থিতিতেই মূলত দুটি মৌলিক অধিকার পরস্পর মুখোমুখি দাঁড়ায়।

একদিকে ব্যক্তির স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য গোপন রাখার অধিকার, অন্যদিকে হবু জীবনসঙ্গীর এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার—যা তাঁর নিজের শরীর, ভবিষ্যৎ বংশধর ও সামগ্রিক জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে।কেননা, বিবাহপূর্ব স্বাস্থ্যবিষয়ক জটিলতা বিভিন্ন রূপে সামনে আসতে পারে; হতে পারে তা কোনো বংশানুক্রমিক রোগ, গুরুতর মানসিক ব্যাধি, প্রজননক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি যত্ন সাপেক্ষ কোনো অসুস্থতা।যেসব গুরুতর রোগ বৈবাহিক জীবনকে ব্যাহত করে কিংবা সংক্রামক ক্ষতির সৃষ্টি করে, তা প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক এবং তা গোপন করা স্পষ্টত প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত।বিয়ে একটি অঙ্গীকার পবিত্র কোরআনে বিবাহবন্ধনকে একটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর