ফ্ল্যাট
একটি নিজস্ব আবাসন কেবল ইট-পাথরের কাঠামো নয়, বরং জীবনের সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগ করে গড়ে তোলা এক নিশ্চিন্ত ঠিকানা। দ্রুত বর্ধনশীল নগরায়ণ এবং আধুনিক জীবনযাত্রার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে এখন নান্দনিক ও সুযোগ-সুবিধাসংবলিত ফ্ল্যাট কেনাবেচার প্রবণতা বেড়েছে।
তবে কেবল আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে কিংবা বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তী সময়ে মারাত্মক আইনি জটিলতা, নির্মাণগত ত্রুটির ঝুঁকি কিংবা আর্থিক লোকসানের মুখে পড়তে হতে পারে।
তাই ফ্ল্যাটের চুক্তিপত্র সই কিংবা বায়না করার আগে কিছু মৌলিক বিষয় নিখুঁতভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।জমির মালিকানা ও আইনি বৈধতাফ্ল্যাট কেনার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো জমির নথিপত্র সঠিকভাবে যাচাই করা।● অনুমোদিত নকশা: প্রকল্পটি রাজউক (বা সংশ্লিষ্ট নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) থেকে অনুমোদিত কি না এবং ভবনের সিএসটি ও নকশা অনুমোদন অনুযায়ী নির্মিত হচ্ছে কি না, তা দেখতে হবে।● খতিয়ান ও মালিকানা: জমির সিএস, এসএ, আরএস ও সর্বশেষ বিএস খতিয়ানের ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না এবং বিক্রেতা বা ডেভেলপার কোম্পানির নামে হালনাগাদ নামজারি ও ভূমি কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।● নিষ্কণ্টক সনদ: জমিটি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রাখা আছে কি না কিংবা এটি নিয়ে কোনো মামলা-মোকদ্দমা বা আইনি বিরোধ চলছে কি না, তা অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই করে...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।