প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো চশমা পরতে হবে
ছোটবেলায় শিক্ষক ও বিজ্ঞানীদের মতো গুণী মানুষদের চশমা পরতে দেখে বুদ্ধিমান হওয়ার ইচ্ছা এবং আপুর চশমা লুকিয়ে পরার স্মৃতি তুলে ধরেছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। শৈশবে চশমা পরাকে দারুণ মনে হলেও বর্তমানে মাইনাস ১.৭৫ পাওয়ার নিয়ে সার্বক্ষণিক চশমা ব্যবহার করা তার কাছে বেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।
পঞ্চম শ্রেণিতে পিইসি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় রাত জেগে পড়ালেখা, বোর্ডের লেখা দেখতে কষ্ট হওয়া, অনলাইন ক্লাস ও টেলিভিশনে সিনেমা দেখার কারণে তার চোখের সমস্যা শুরু হয়। শুরুতে পরিবার বিষয়টিকে ফ্যাশন করার বাহানা মনে করলেও এক বছর পর চোখের পাওয়ার কমে মাইনাস ১.০০ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে চশমা নিতে হয়।
চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টি হারানোর আক্ষেপের পাশাপাশি নিজের চশমা খুঁজে না পেয়ে কোচিংয়ে যাওয়ার জন্য শর্তসাপেক্ষে আপুর চশমা ধার নেওয়ার মতো দৈনন্দিন নানা অভিজ্ঞতাও শিক্ষার্থীটি বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।