সাধারণ কম্পিউটারের সীমা যেখানে শেষ, ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয় কোয়ান্টাম কম্পিউটারের পথচলা। কোয়ান্টাম কম্পিউটার হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের নীতি মেনে চলা এক বিশেষ ধরনের শক্তিশালী যন্ত্র। আমাদের ব্যবহার করা সাধারণ কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশাল সুপারকম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ‘বিট’ ব্যবহার করে। অন্যদিকে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে সাধারণ বিটের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় ‘কোয়ান্টাম বিট’ বা ‘কিউবিট’।
এই কিউবিটের বিশেষ আচরণই প্রচলিত কম্পিউটারের সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের পার্থক্য গড়ে দেয়।কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কাজের পদ্ধতি প্রচলিত যন্ত্রের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। সাধারণ কম্পিউটারে প্রতিটি বিট একই সময়ে হয় ০ অথবা ১ অবস্থায় থাকে। কিন্তু কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের ‘সুপারপজিশন’ বৈশিষ্ট্যের কারণে একটি কিউবিট একই সঙ্গে ০ ও ১ উভয় অবস্থাতেই অবস্থান করতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় এনট্যাঙ্গলমেন্ট।
এটি একাধিক কিউবিটের মধ্যে কোয়ান্টাম সম্পর্ক তৈরি করে।সাধারণ কম্পিউটারে দুটি বিট একসঙ্গে থাকলে তা ০০, ০১, ১০ বা ১১ এই চারটির যেকোনো একটি সমন্বয় নির্দেশ করে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।