সাকা হাফংয়ের পথে মাশা ইসলাম। ছবি: শিল্পীর সৌজন্যে
মাশা ইসলাম ঘুরতে ভালোবাসেন। একটু ফুরসত মিললেই ছুটে যান প্রকৃতির কাছে। গায়িকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীমাত্রই সেটা জানেন। গানের সঙ্গে তাঁর ভ্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে গত আগস্টে প্রচারিত ডিডব্লিউ ট্রাভেলের বাংলাদেশ নিয়ে ভ্লগ। বাংলাদেশ নিয়ে জার্মান গণমাধ্যমটির সিরিজ ভ্লগে সহ–সঞ্চালক ছিলেন মাশা। সেই অনুষ্ঠান শেষ। পূজার দীর্ঘ ছুটির আগে আবার মন ‘ছুট দিই’, ‘ছুট দিই’ করছে। এক কাছের বন্ধু বান্দরবান যাচ্ছে ট্রেকিংয়ে।
মাশারও মন বলছে পাহাড়–পাহাড়। কিন্তু কারও সঙ্গে মিলছিল না। এর মধ্যেই ঘটল এমন কিছু, যাকে কেবল ‘সিনেম্যাটিক’ই বলা যায়। সেই কাছের বন্ধু জরুরি কাজে আটকা পড়লেন। মাশাকে ফোন করে বললেন, তিনি চাইলে বদলি হিসেবে যেতে পারেন। তখন বিকেল পাঁচটা। বান্দরবানের বাস ছাড়বে রাত আটটায়। হাতে মোটে তিন ঘণ্টা। এর মধ্যে সন্ধ্যা ছয়টায় একটা মিটিংও আছে। সব সেরে ‘কী আছে জীবনে’ ভেবে ব্যাকপ্যাক কাঁধে নিয়ে দিলেন ছুট।
একদল অচেনা অভিযাত্রীর সঙ্গে শুরু হলো অন্য রকম এক অভিযাত্রা।মিশন সাকা হাফংদেশের বেসরকারিভাবে সর্বোচ্চ চূড়া সাকা হাফং।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।